দেশের ক্রমবর্ধমান তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) চাহিদা পূরণে পরিবহন সক্ষমতা আরো বাড়িয়েছে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ফ্রেশ এলপি গ্যাস। প্রতিষ্ঠানটির বহরে যুক্ত হয়েছে তৃতীয় এলপিজি ক্যারিয়ার, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এলপিজির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতে ভূমিকা রাখবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
নতুন যুক্ত হওয়া এলপিজি ক্যারিয়ার ‘এমটি মার্কেন্টাইল ৬৫’-এর ধারণ ক্ষমতা দুই হাজার টন। একই ধারণ ক্ষমতার আরো দুটি ক্যারিয়ারসহ ফ্রেশ এলপি গ্যাসের নিজস্ব বহরে এখন মোট তিনটি এলপিজি ক্যারিয়ার রয়েছে। তিনটি জাহাজের সম্মিলিত ধারণ ক্ষমতা ছয় হাজার টন। ফলে এলপিজি পরিবহনে এমজিআইয়ের সক্ষমতা আরো বাড়বে এবং সারা দেশে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা সহজ হবে।
এ প্রসঙ্গে এমজিআইয়ের পরিচালক তানভীর মোস্তফা বলেন, ‘দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে নিরাপদ, কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিতে ফ্রেশ এলপি গ্যাস প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ, সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরো নির্ভরযোগ্য করা এবং জ্বালানি নিরাপত্তায় অবদান রাখতে আমরা পরিবহন ও লজিস্টিক সক্ষমতায় বিনিয়োগ অব্যাহত রাখব।’
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, নতুন এলপিজি ক্যারিয়ারটি কুতুবদিয়া অ্যাংকরেজ ও চট্টগ্রাম আউটার অ্যাংকরেজ থেকে আমদানি করা এলপিজি ফ্রেশ এলপি গ্যাসের মেঘনাঘাট ও মোংলা প্লান্টে পরিবহনে ভূমিকা রাখবে। এতে আমদানি করা এলপিজি পরিবহনের সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ আরো কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য হবে।
ফ্রেশ এলপি গ্যাসের চিফ মার্কেটিং অফিসার আবু সায়েদ রাজা বলেন, ‘নতুন এলপিজি ক্যারিয়ার যুক্ত হওয়ায় সারা বছর নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা, ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ এবং সুবিধাবঞ্চিত এলাকাগুলোয় এলপিজি সরবরাহ সম্প্রসারণে আমাদের সক্ষমতা আরো বাড়বে।’
উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালে যাত্রা করা এমজিআই বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী। বর্তমানে গ্রুপটির ৫৭টির বেশি শিল্প ইউনিট ও ৬৫ হাজারের বেশি কর্মী রয়েছে। ফাস্ট মুভিং কনজিউমার গুডস (এফএমসিজি), জ্বালানি, নির্মাণসামগ্রী, কাগজ, স্বাস্থ্য ও হাইজিনসহ বিভিন্ন খাতে এমজিআইয়ের কার্যক্রম রয়েছে। ফ্রেশসহ বিভিন্ন আস্থাভাজন ব্র্যান্ডের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক বাজারে কোটি মানুষের কাছে পণ্য ও সেবা পৌঁছে দিচ্ছে।